ফেসবুক এড তৈ্রির গাইড লাইন

আপনার ব্যাবসায়ের প্রসার করতে হলে প্রথমে আপনাকে ব্রেক ইভেন ছাড়িয়ে মুনাফা করতে হবে। তবেই হবে প্রসার। আপনি যদি সেটা করতে ব্যাথ হন তাহলে আপনার ব্যাবসায়ের অস্তিত্ব সংকট দেখা দিবে। একসময় ব্যাবসা ঘুটিয়ে ফেলতে হবে। তাহলে কথাটা হতে পারতো ‘প্রচারেই টিকে থাকা ও প্রসার’

আপনি আপনার এলাকায় কোন একটি পন্য বা সেবার দোকান খুলে বসলেন । ভাবলেন এখন আপনার এলাকা, জেলা, বিভাগ, দেশ তারপর বিদেশ থেকে হাজার হাজার ক্রেতা আপনার দোকানে এসে হুমরি খেয়ে পরবে। আপনি বিক্রি করে দম ফেলারও সময় পাবেন না। এরকমটা শুধু স্বপ্নেই সম্ভব। বাস্তব বলে অন্য জায়গা দূরে থাক আপনার এলাকার কোন ক্রেতাই হয়ত আপনার দোকানে আসবে না যদি না তারা আপনার পণ্য বা সেবা সম্পর্কে জানতে পারে। তার মানে টিকে থাকার প্রথম শর্ত আপনাকে জানাতে হবে মানে প্রচার করতে হবে ।

অনলাইন সপের ক্ষেত্রে একথা সমান ভাবে প্রযোজ্য। অনেক সুন্দর একটা সাইট বা ফেসবুক পেইজ খুলে যদি ভাবেন এবার শুধু বিক্রি আর বিক্রি তাহলে খুব শিগ্রিই আপনাকে আপনার ব্যবসায় বন্ধ করে দেবার জন্য প্রস্তুত হতে হবে।

ফেসবুকে ৯৩৬ মিনিয়ন গ্রাহক রয়েছে । অনেকেই মনে করেন এই ৯৩৬ মিনিয়ন গ্রাহকই যেকোন পণ্যের সম্ভ্যাব্য ক্রেতা । আসলে কি তাই ।ধরা যাক  আমি লুঙ্গির ব্যবসায় করি । এই ৯৩৬ মিনিয়ন গ্রাহক থেকে কজন লুঙ্গি পরে বা লুঙ্গি নিয়ে আগ্রহ আছে কজনের ? সবার না নিশ্চয়ই। যারা বা যাদের আছে তারাই হচ্ছে লুঙ্গির সম্ভ্যাব্য ক্রেতা , সবাই না। তাহলে দেখা যাচ্ছে আপনার পণ্যটি যারা ব্যাবহার করে বা আগ্রহ আছে এমন লোকদের খুজে রের করে তাদেরকে আপনার পণ্য সম্পর্কে জানানোটা ব্যাবসায়ে টিকে থাকা বা প্রসারে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি  বিষয়। এর অন্যথা হলে আপনি গেম থেকে আউট।

এ কাজটি মানে মার্কেটিং এর কাজটি সবচেয়ে ভালভাবে করা সম্ভব ফেসবুকে। বিশাল পরিমাণ গ্রাহকই এর অন্যতম কারন । আপনি ব্যাবসায়ি বা মার্কেটার যাই হন আপনাকে ফেসবুক মার্কেটিংয়ের বেসিক বিষয়গুলো জানা খুবই জরুরী । বর্তমানে ই কমার্স সাইটগুলো তাদের প্রচার প্রচারনার কাজের জন্য মূলতই ফেসবুকের উপরই ভরসা করছেন। অবশ্যই এর পেছনেও যুক্তি রয়েছে ।

ফেসবুকে মার্কেটিং করার  ২ টি পদ্ধতি আছে যা আমরা সবাই জানি। একটি ফ্রি অপরটি পেইড। পেইডে ম্যাথডে আমরা প্রায়শই ফেসবুকে এড দিয়ে থাকি। আজকের এই পোস্টে ফেসবুকে এড দেবার গাইডলাইন সম্পর্কে জানবো।

এই লেখাটি একেবারেই বেসিক লেভেলের। এডভান্স পাঠকদের জন্য নয় ।

এড তৈ্রির গাইড লাইনঃ

একটি এড তৈ্রি করতে আপনাকে ফেসবুক …… যেতে হবে। এড ক্রিয়েশন আপনাকে পরবর্তী করনীয় ধাপ গুলোতে নিয়ে যাবে।

১। উদ্দেশ্য পছন্দ করা

এডের ধরন বোঝাঃ

আপনার এডের উদ্দেশ্য হতে পারে ট্রাফিক আনা, ফেসবুক পেইজের কোন পণ্যের উপর ফোকাস করা, অথবা মোবাইল এপ ডাউনলোড । উদ্দেশ্যের সাথে সাথে এডের ধরনে ও পরিবর্তন আসে ।  যেমন যদি আপনার এডের উদ্দেশ্য হয় আপনার সাইটে ট্রাফিক আনা তাহলে লিঙ্কস সহ ফটো এড ব্যাবহার করা উচিত.।

এডের ধরনঃ

১। পেইজ পোষ্ট

২। অফার পোষ্ট

৩। লাইক , ডিস্কাউন্ট বা প্রমোশান পোষ্ট

৪। মোবাইল এপ এড পোষ্ট

1

২। ক্যাম্পেইনের নাম দেয়া

11057087_370633406467551_1696052857_n

আপনার ক্যাম্পেইনের একটি নাম দিতে পারেন  অথবা ডিফল্ট নেম ব্যাবহার করতে পারেন।

৩। ফেসবুকে টার্গেটঃ আপনার অডিয়েন্স পছন্দ করা

 

11057125_933007773410735_621056225_n

আপনার এডের সাথে আপনার বাচাই করা অডিয়েন্সে যত বেশি রিলিভেন্ট হবে আপনি তত বেশি ভাল ফলাফল পাবেন। ফেসবুক এডের জন্য আপনাকে নিদিষ্ট কিছু ক্রাইটেরিয়া ব্যবহার করতে হবে।

১। লোকেশানঃ এটি হতে পারে শহর দেশ বা নেইবার ।

২। ডেমোগ্রাফিকঃ এর অধিনে রয়েছে  বয়স, লিঙ্গ, শিক্ষা ।

৩। ইন্টারেস্টঃ এর অধীনে থাকতে পারে ইন্টারেস্ট শখ বা ফেসবুকে যেসব পেইজে তারা লাইক দেয় ইত্যাদি । উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে আপনি যদি মসলা বিক্রি করেন তাহলে আপনার সম্ভব্য ক্রেতা হবে সেসব লোকেরা যারা রান্না করতে পছন্দ করে, যারা রান্নার অনুস্টান পছন্দ করে এবং যারা রেসিপি সাইট পছন্দ করে ।

৪। আচরণঃ এর অধীনে থাকতে পারে ক্রয় অভ্যাস, ডিভাইসের ব্যাবহার , সাম্প্রতিক জীবন যাত্রার অগ্রগতি। উদাহরণ স্বরূপ এপ ডেভেলেপাররা সেসব লোকেরদের কাছে পোছাতে চায় যারা নিদিষ্ট কোন ফোন ব্যবহার করে বা কোন পরিবর্তনকে সবার আগে গ্রহণ করে ।

৫। কানেকশানঃ আপনার পেইজের সাথে, আপনার ইভেন্টের সাথে, আপনার এপ্লিকেসগ্নের সাথে, আপনার বন্ধুদের বন্ধদের সাথে।

৬। কাস্টম অডিয়েন্সঃ কাস্টমার ডাটা, ইমেইল আইডি, ফোন নাম্বার, ইউজারা আইডি ইত্যাদি।

ফেসবুক মার্কেটিং এ খুব সাধারন একটি ভুল হচ্ছে অনেক  বড় অডিয়েন্স গ্রুপকে টার্গেট করা। সেটা না করে সব সময় যা করা উচিত তা হল নিদিস্ট অডিয়েন্স গ্রুপকে টার্গেট করা।

আপনার এদের বাজেট ঠিক করুন এবং কোন তারিখ থেকে আপনি আপনার এড রান করাবেন সেটা ঠিক করুন।

৪। বাজেট ও এড সিডিউল সেট করা

4

4-2

বেসিক এড টারমিনোলজিঃ

ক্লিকস – আপনার এডের উপর পরা মোট ক্লিকের সংখ্যা।

সি টি আর (click through rate)- ক্লিক থ্রো রেট । ক্লিক সংখ্যাকে একটি এড মোট যত বার দেখানো হয়েছে তার সংখ্যা দিয়ে ভাগ।

সি পি এমঃ(cost per mille)- ১০০০ ইম্প্রেশান পেতে গড় ব্যায়।

সি পি সি (cost per click ) – এভারেজ কষ্ট পার ক্লিকের সংখ্যা কে মোট ক্লিক সংখ্যা দিয়ে ভাগ।

ফ্রিকুয়েন্সিঃ প্রতি জন ব্যাক্তি আপনার এডের ইম্প্রেসান গড়ে যত বার করে পান ।

রিচ– ইউনিক লোকের সংখ্যা যারা আপনার এডটি দেখে থাকেন।

৫। আপনার বিড সেট করা

5

 

৬। আপনার এড সেটের নাম ঠিক করা

6

আপনার এড সেটের একটি নাম দিতে পারেন  অথবা ডিফল্ট নেম ব্যাবহার করতে পারেন।

৭। ইমেজ পছন্দ করা

  • আপনার এডের জন্য ইমেজ পছন্দ করুন।
  • আপনার এড কে ফেসবুকে কার্যকর ভাবে ডিজাইন করুন এই ১০ টি টিপসের মাধ্যমে।
  • ফেসবুক পলিসি র মধ্যে থেকেই আপনার এডটি সফল ভাবে দিন

নোটঃ ইমেজ পছন্দ নিয়ে বিস্তারিত পাওয়া যাবে পরবর্তী লেখাতে ।

৮। টেক্সট বা লিঙ্ক যোগ করা এবং এড প্লেসম্যান্ট

8

ইমেজ পছন্দের পর আপনার এ এডে টেক্সট ও লিঙ্ক যোগ করুন। এডে টেক্সট যোগ করতে হবে সতর্কতার সাথে কেননা এখানে ক্যারেক্টার  লিমিট রয়েছে।

 

আপনি আপনার এডের প্লেসম্যান্ট ও ঠিক করতে পারেন মানে আপনার এড টি ফেসবুকের কোথায় দেখাবে সে জায়গা টি ঠিক করা।‘এড প্রিভিউ এন্ড প্লেস মেন্ট’  অধীনে আপনি আপনার এড টিকে  কোথায় দেখতে চান সেটা ঠিক করে নিতে পারেন। ৩ টি এড প্লেসমেন্ট অটো সিলেক্টেড হয়ে থাকে। তবে আপনি কোন প্লেসমেন্ট পছন্দ না হলে সেটি রিমুভ করে দিতে পারেন।

নোটঃ ফেসবুকের সাথে জড়িত নয় এমন এড চালালে আপনি শুধুমাত্র ফেসবুকের ডান দিকে এড রান করতে পারবেন।

৯। এড পেলেস করা এবং ঠিক করা কিভাবে আপনি এদের জন্য পে করবেন,

আপনার সব কিছু প্রস্থুত হয়ে গেলে আপনি ‘প্লেস অর্ডার ’ এ ক্লিক করবেন । প্রথম বারের মত আপনি কোন অর্ডার প্লেস করায় ফেসবুক আপনার কাছ থেকে পেমেন্ট ইনফরমেশন চাইবে। আপনি ৪ টা ভিন্ন ভিন্ন কার্ডের মাধ্যমে পে করতে পারেন যেমনঃ

  • ভিসা
  • মাস্টার কার্ড
  • আমেরিকান এক্সপ্রেস
  • ডিসকভার।

 

প্রতিটি উদ্দেশ্যের এডের ধরন

আপনার প্রথম ফেসবুক ক্যাম্পেইনটি তৈরি করার আগে ফেসবুকের বিভিন্ন এড সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকা উচিত। সেটা আপনি নিজে না করে অন্যকে দিয়ে এড দেয়ালে ও দরকার। সাধারণত ফেসবুক সারা বছরই তার ব্যাবহারকারীদের প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের এডের অফারিংগুলো পরিবর্তন করে থাকে। আপনার ক্যাম্পেইনের উদ্দ্যেশ্য যাই হউক তার ধরণ অনুযায়ী এড রয়েছে ।

আপনার ওয়েব সাইটের জন্য ট্রাফিক ও লিড

ফেসবুকের এডের অন্যতম উদ্দেশ্য আপনার সাইটের ভিজিটর পাঠানো। এড দেয়া হয় মুলত আপনার সাইটের ওভার অল রিচ বাড়াতে, অথবা পণ্য ক্রয় করতে কোন ডেডিকেটেড ল্যান্ডিং পেইজে ইউজার পাঠাতে অথবা কোন নিউজ লেটারে সাইন আপ করতে অথবা অন্য যেকোন লিড জেনারেশনে অংশ নিতে। নিচে ফেসবুকে বিভিন্ন এডের ধরণ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

ডোমেইন এডঃ

1

সাপোর্টেড প্লেসমেন্টঃ ডান কলাম।

বিভিন্ন ধরনের ফেসবুক এডের মধ্যে এটি খুবই সাধারণ এড। এটি ডান কলামে প্রদর্শিত হয়। কোন মোবাইলে সাপোর্ট নেই। আপনি এর জন্য একটি টাইটেল, সংক্ষিপ্ত বর্ণনা, ও ইউআরএল পছন্দ করতে পারবেন। আজকের দিনে ক্লিক থ্রো রেট অনুযায়ী এটি তেমন পারফর্ম করে না যদিও এর খরচ তুলনামূলকভাবে কম।

পেইজ পোস্ট লিঙ্কঃ

2

সাপোর্টেড প্লেসমেন্টঃ ডান কলাম, নিউজ ফিড, মোবাইল।

এটাই ফেসবুক এডের মধ্যে সবচেয়ে কমন এড টাইপ। আপনার ওয়েব সাইটকে প্রমোট করতে এটি আদর্শ ।পেইজ পোস্ট লিঙ্ক এডস (নিউজ ফিড এডস) একটি বড় ইমেজকে ফিচার করে যা কিনা ভিজিটরদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে খুবই কার্যকর

এ ধরনের এড দারুন পারফর্ম করে এবং পাশাপাশি সুবিধা হিসেবে আপানার পেইজের জন্য লাইক ও জেনারেট করে। এনগেগমেন্ট বুস্টের জন্য যেটা করতে হবে তা হল আপনাকে কমেন্টের উত্তর দিতে হবে।

মাল্টি প্রডাক্টঃ

3

সাপোর্টেড প্লেসমেন্টঃ নিউজ ফিড মোবাইল

২০১৪ সালের জুনে ফেসবুক একটি নতুন ধরনের এড ফরম্যাট রিলিজ করে যার নাম মাল্টি প্রডাক্ট এড যেটা ই-কমার্স বিজ্জাপনের জন্য খুবই উপকারি কেননা এটি দিয়ে কোন স্টোরের একাধিক পণ্য প্রমোট করা যেতে পারে।

নতুন এই এড টাইপ শুধু মাত্র নিউজ ফিড, ডেক্সটপ ও মোবাইলের জন্য প্রযোজ্য। সাধারন পেইজ পোস্ট লিঙ্কের সাথে এর অনেক মিল রয়েছে এই এডে একটির পরিবর্তে তিনটি পণ্যের ইমেজ ও তাদের লিঙ্ক প্রদর্শিত হয়। এটি ই-কমার্স সাইট গুলোর জন্য একটি দারুন সুবিধা। একটি মাত্র এডে আপনি তিনটি আলাদা পণ্যের ইমেজ লিঙ্ক, এবং টাইটেল দেখাতে পারছেন। স্বাভাবিকভাবেই এ কারনে এতে করে ক্লিকের সম্ভাবনা ও বেড়ে যায় ।

আপনার পেইজের জন্য লাইক ও এনগেগমেন্টঃ

মোটামুটি সব ফেসবুক এডই ফেসবুক মার্কেটিংয়ের জন্য দারুন। আপনি সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন আপনার পেইজের লাইক বাড়াতে বা পেইজে পোস্ট করা কনটেন্টের রিচ বাড়াতে।

সাম্প্রতিক ফেসবুক আপডেট গুলোর কারনে এখন আপনার পেইজে দেয়া পোস্টগুলো আপনার মাত্র ২-৬% বন্ধু বান্ধবের কাছে পৌছায় । তাই পোস্ট প্রমোট করাই একমাত্র উপায় যার মাধ্যমে আপানার সব পোস্ট আপনার ফ্যানদের কাছে পৌছানো নিশ্চিত করা যায়।

পেইজ লাইকঃ

4

সাপোর্টেড প্লেসমেন্টঃ ডান কলাম, নিউস ফিড, মোবাইল

এটি আপনার পেইজের লাইক বাড়ানোর এড। এটি সব প্লেসমেন্টেই ডিসপ্লে হয় এবং এতে ইউজাররা যেন এড দেখার সাথে সাথে লাইক দিতে পারেন তার জন্য কল টু একশন অন্তর্ভুক্ত থাকে। ভাল ফলাফলের জন্য অবশ্যি খুব ভাল ইমেজ দেয়া গুরুত্বপূর্ণ ।পেইজের লাইক বাড়াতে এড দিতে সময় মনে রাখতে হবে শুধু মাত্র সস্তা লাইক দিয়ে কিছু হবে না বরং সঠিক অডিয়েন্সের লাইক দরকার যাদের সত্যিকার অর্থেই আপনার পেইজের প্রতি আগ্রহ রয়েছে ।

পেইজ পোস্ট ফটোঃ

5

সাপোর্টেড প্লেসমেন্টঃ ডান কলাম নিউস ফিড, মোবাইল

এতি সাধারণত ব্যাবহার করা হয় পেইজের ফ্যানদের সাথে এনগেগ রাখতে। আপনার সুন্দর সুন্দর সব ইমেজ পোস্ট করার জন্য এই এডে রয়েছে সব চেয়ে বেশি স্পেস । সঠিক ইমেজটি বেছে নিতে পারলে আপনি কমেন্ট আর লাইকের বন্যায় ভেসে যাবেন । পোস্টের টেক্সট বর্ণনার জায়গায় আপনি লিঙ্ক যোগ করে দিতে পারেন তবে সেখান থেকে খুব বেশি ট্রাফিক আশা না করাই ভাল।

পেইজ পোস্ট ভিডিও

6

সাপোর্টেড প্লেসমেন্টঃ ডান কলাম, নিউজ ফিড, মোবাইল।

ভিডিও এড ফেসবুকে এখনো নতুন । তাই এর মাধ্যমে অনেক ট্রাফিক পাবার সুযোগ রয়েছে ।সমস্যা হল ভাল একটি ভিডিও পেতে হলে আপনাকে বেশ ভাল রকম সময় ও টাকা খবচ করতে হবে। বড় বড় কোম্পানিগুলো সাধারনত এ ধরনের এড বেশি দিয়ে থাকে, তবে ছোট কোম্পানি যাদের একটি স্মার্ট সোশ্যাল স্ট্রেটেজি রয়েছে তারা এই ফরম্যাট থেকে খুব ভাল ফলাফল পেতে পারে।

পেইজ পোস্ট টেক্সট

7

সাপোর্টেড প্লেসমেন্টঃ ডান কলাম, নিউস ফিড, মোবাইল

এই এড ফরম্যাট পেইজ এনগেগমেন্টের উপর ফোকাস করে । তবে পেইজ পোস্ট ইমেজে না দিয়ে এটি দেয়ার খুব কমই কারন থাকতে পারে কেননা এটি ছবি সহ এডের তুলনায় কম ফল দেয়।

মোবাইল বা ডেক্সটপের জন্য এপ ইন্সটলঃ

ফেসবুক তাদের মোবাইল এপ্লিকেশন চালু করার পর থেকে মোবাইল এডের মাঠে বড় খোলায়ারের ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়। মোবাইল এড ইন্সটল এপ এডের কারনে এন্ড্রয়ডে ও আইওএস এই দুই প্লাটফর্মেই নতুন ব্যাবহারকারি বাড়ানোর দারুন সুযোগ এসেছে।

মোবাইল এপ

8

সাপোর্টেড প্লেসমেন্টঃ মোবাইল

এটি একটি খুব ভাল সুযোগ আপনার মোবাইল এপের ইন্সটল বাড়ানোর। এই এড শুধুমাত্র আপনার মোবাইলের নিউজ ফিডে দেখা যাবে। যখন একজন ইউজার “ইন্সটল’ নামের কল টু একসানে ক্লিক করবে তখনি একটি পপ আপ উইন্ডোতে এপ স্টোর আসবে। ফলে এর কনভারসন রেট অনেক।

এই ফরম্যাটের এড ব্যাবহার করার সময় আপনি অনেক অতিরিক্ত টার্গেটিং অপ্সান পাবেন যাদের মাধ্যমে আপনি আপনার অডিয়েন্সকে আরো অনেক বেশি ফাইন টিউন করে নিতে পারেন। যেমন আপনি এন্ড্রয়েড বা আইওএস ব্যাবহারকারি বেছে নিতে পারেন অথবা আপনি যারা শুধু মাত্র মোবাইল ডিভাইস বা ট্যাবলেট বা যারা ওয়াই ফাই ব্যাবহার করে এমন ভিজিটর বেছে নিতে পারেন।

ডেক্সটপ এপ

9

সাপোর্টেড প্লেসমেন্টঃ ডান কলাম , নিউজ ফিড

এই এড ইউনিটটি তুলনামূলক ভাবে নতুন । এটি ভিজিটরদেরকে আপনার ফেসবুক এপের দিকে নিয়ে যায়। ফেসবুক এপ মোবাইলে সাপোর্ট করে না বলে আপনি এই এডকে আপনি টার্গেট করতে পারেন ডেক্সটপ নিউজ ফিডে বা ডান কলামে। আপনার

স্টোর বা ইভেণ্টের জন্য ভিজিটর

আপনার ফিজিকাল স্টোর বা ইভেন্টের জন্য ভিজিটর নিয়ে আসার দুটো উপায় সম্পর্কে আমরা এখানে জানবো।

ইভেন্ট

10

সাপোর্টেড প্লেসমেন্টঃ ডান কলাম, নিউজ ফিড, মোবাইল।

অনেক বেশি ভিজিটর আকর্ষণের জন্য ইভেন্ট অরগানাইজারদের কাছে ফেসবুক ইভেন্ট হচ্ছ্বে একটি দারুন উপায়। আপনি যদি আপনার ইভেন্টের রিচকে বুস্ট করতে চান তবে সঠিক টার্গেট অপ্সান ব্যাবহার করে এই এডটি ব্যাবহার করতে পারেন।

আপনার ইভন্টের আকার ও প্রাসঙ্গিকতা অনুসারে ইভেন্টে অংশ নেয়া লোকদের বসবাসের এলাকা ও শহর ঠিক করার মাধ্যমে আপনি আপনার এডের রিচে ভৌগলিক রিচে সীমাবদ্ধতা আনতে পারেন।

অফার

11

সাপোর্টেড প্লেসমেন্ট; ডান কলাম, নিউজ ফিড, মোবাইল।

ইট কাঠের নির্মিত ষ্টোরের মালিক যারা তাদের স্টোরে আরো অনেক লোকদের আকর্ষিত করতে চান তাদের জন্য এই এডটি উপযুক্ত ।কোন একটি অফার তৈরি করতে আপনার পেইজে নুন্যতম ৫০ টি লাইক থাকতে হবে।

আমরা উপরে যেমনটা দেখলাম যে ,ফেসবুকের এডের টাইপের ধরণ অনেক বিস্তৃত যেগুলো আপনার যেকোন ধরনের প্রয়োজন মিটাতে সক্ষম। আমার পরামর্শ থাকবে যখনই সম্ভব ভিন্ন ভিন্ন এড ফরম্যাট ব্যাবহার করে আপনার এডটি দিয়ে দেখুন এতে করে আপনার জন্য কোন ফরম্যাটটি সবচেয়ে ভাল ফল এনে দিচ্ছে এবং কম খরচে কোনটি সবচেয়ে ভাল ফল এনে দিচ্ছে তা জানতে পারবেন।

বরাবরের মতই আপনাদের সাড়া পেলে ৩য় পর্বে আমরা আমাদের প্রথম ফেসবুক এড কিভাবে করবো সেটা জানবো ।

ফেসবুক এডের বিভিন্ন বিষয়গুলো নিয়ে পরের লেখাগুলোতে আরো বিস্তারিত বলার চেষ্টা করবো ।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *